‘LGBTQ’ নিয়ে আমাদের মডার্ন সোসাইটিতে একটা ফ্যান্টাসি আছে। বেশ ভালো রকমের ফ্যান্টাসি। তারা LGBTQ জিনিসটাকে একটা স্ট্যাটাস বিল্ডআপের টুলস মনে করে। মানে ব্যাপারটা এমন: আমি LGBTQ সমর্থন করি, সুতরাং আমি মুক্তচিন্তার অধিকারী, আমি মানুষের মানবিক জৈবিক চাহিদার সমর্থনকারী। কিন্তু এটা যে কোনোভাবেই একটা ‘মানবিক’ কাজ নয় বরং অমানবিক একটা সমাজবিধ্বংসী প্রয়াস, এটা তাদেরকে আপনি বুঝাতেই পারবেন না। কারণ শত শত পশ্চিমা সেলিব্রিটি এটা সমর্থন করে এবং অনেকে এ ধরনের ‘অমানবিক’ কর্মকাণ্ডে লিপ্তও। কাজেই এই কুৎসিত কর্মকাণ্ড মানবিক না হয়েই যায় না।

ভাই, আমি ধর্মীয় আলাপে যাচ্ছি না। আমি সমাজ বাস্তবতা এবং ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টাই তুলে ধরছি। আপনারাও সচেতন হোন, সমাজকে সচেতন করুন।

আপনার পরিচিত কোনো ছেলের মধ্যে মেয়েলিপনা থাকলেই তাকে মেয়ে, মাইগা, হাফলেডিস এ ধরনের ট্যাগ দেয়া বন্ধ করুন। বিশেষত কিশোর-তরুণদের সচেতন করুন। তাদের বন্ধু সার্কেলে এমন বন্ধু থাকলে তাকে জেন্ডারশেমিং না করে তাকে পুরুষ হিসেবে ট্রিট করতে উৎসাহিত করুন।

আরেকটা জিনিস মনে রাখবেন, কোনো ছেলের মধ্যে মেয়েলিপনা থাকলে বা কারো চেহারা মেয়েদের মতো সফট থাকলেই যে সে ‘জেন্ডার কম্প্রোমাইজড’ হয়ে যায় না। মানুষের মধ্যে নানা ধরনের হরমোনগত সমস্যা থাকতেই পারে। এটা সৃষ্টির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু এই ধরনের কিশোর-তরুণদের যখন তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়স্বজন নানাভাবে ‘হাফলেডিস’ বলে ট্রিট করে তখন ওই ছেলেটার মধ্যে মানসিকভাবে একটা মেয়েলিপনা বিল্ডআপ হয়। এখান থেকে শুরু হয় একটি ছেলের জেন্ডার কম্প্রোমাইজড হওয়া। এটা সৃষ্টিগতভাবে যতটা না কম্প্রোমাইজড, তার চেয়ে অনেক বেশি দায়ী আমাদের চারপাশের পরিবেশ।

এজন্য এ ধরনের ‘মেয়লিপনা’ ছেলেদের ব্যাপারে দায় অনেকটা আমাদেরই। আমরাই অনেকভাবে একটি ছেলেকে কুৎসিত জেন্ডার বিকৃতির দিকে এগিয়ে দেই। আপনার পরিবার ও পরিচিত কিশোর-তরুণদের এ ব্যাপারে সচেতন করুন এবং তার বন্ধুদের মধ্যে কেউ এমন থাকলে তার সঙ্গে স্বাভাবিক বিহেভ করতে উৎসাহিত করুন।

 


Leave a Reply

Your email address will not be published.