গত ৮ মার্চ ফেসবুকে লিখেছিলাম, গেরুয়া পতাকাধারী বা যেকোনো গ্লোবাল জি!হা#দ মুভমেন্টকে আমি সন্দেহের চোখে দেখি। খেলাফতের মতো থরোথরো ধর্মীয় আবেগনির্ভর বিষয় নিয়ে ‘ইংরেজি’ ব্যানারসর্বস্ব মিছিল হোক বা সামরিক মুভমেন্ট, এর অনেক কিছুই পরিচালিত হয় ইন্টারন্যাশনাল পলিটিকসের ঘুঁটি হিসেবে।
অনেকেই আমার সে লেখা মেনে নিতে পারেননি। কেউ কেউ গোস্বাও করেছিলেন। এক মাস যেতে না যেতেই সে কথার এত জলজ্যান্ত প্রমাণ পেয়ে যাব, ভাবিনি।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে গেরুয়া পতাকাধারীদের সেই খেলাফতকামী মিছিলকে চিহ্নিত করা হয়েছে বাংলাদেশে জ*ঙ্গিবাদের উত্থান হিসেবে। এবং আমি মোটামুটি নিশ্চিত, এই খেলাফতকামী মিছিলটি সেই শুক্রবারে নামানোই হয়েছিল নিউইয়র্ক টাইমসসহ অন্যান্য ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ায় বাংলাদেশে জ~ঙ্গি+বাদের উত্থানকে উপস্থাপনের জন্য। এর সঙ্গে আপনার আমার আবেগী জি<হা*দের ন্যূনতম কোনো সম্পর্ক নেই, কখনো ছিলও না, ভবিষ্যতেও না থাকার সম্ভাবনাই প্রবল।
তো মেরে দোস্ত বুজুর্গ, সামনে থেকে ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সিগুলো যখনই আপনার সামনে ‘তৌহিদী জনতা’ কিংবা ‘খিলাফাহ’র মতো লোভনীয় খাবার বাড়িয়ে দেবে, আবেগে জর্জর হয়ে সে খাবারে মুখ দেওয়ার আগে শতবার চিন্তা করে নেবেন। মনে রাখবেন, ইন্টারন্যাশনাল পলিটিকসের কাছে আপনার ধর্ম আর ধর্মীয় আবেগ, দুনোটারই বহুত কিমত আছে। কেননা এগুলো দিয়েই তো তারা আপনাকে ম্যানুপুলেট করে পথে নামায়!