প্রশ্নটা উঠেছিল ফেসবুকে। কোনো এক তুর্কি ড্রামা সিরিয়াল নিয়ে। সিরিয়ালটিতে দেখানো হয়েছে, এক তুর্কি সুলতান নবীজিকে (সা.) স্বপ্নে দেখেছেন। স্বপ্নে নবীজি তাকে আদেশ করছেন, তিনি যেন গরিব-দুঃখীদের মাঝে দান-খয়রাত করেন। তো, ঘুম থেকে জেগে সুলতান গরিব-দুঃখীদের মাঝে অকাতরে মুঠো মুঠো আশরফি-দিরহাম বিতরণ করতে থাকেন।
সিরিয়ালে দেখানো সুলতানের এই আশরফি বিতরণের একটি ভিডিও ক্লিপ ফেসবুকে নানা ধার্মিক ব্যক্তি মহা সমারোহে পোস্ট করে চলেছেন। এমনই কোনো এক তুর্কি-প্রেমিকের পোস্টে এক বেরসিক বাঙালি কমেন্ট করেছেন, ‘সুলতান যে এত আশরফি-দিরহাম উদারহস্তে বিলিয়ে দিচ্ছেন, এই আশরফি উনি কোথা থেকে পেলেন? এটা কি তিনি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দিচ্ছেন, নাকি রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে দান করছেন?’
বুঝতেই পারছেন, এমন প্রশ্ন সাধারণ দৃষ্টিতে আপনার-আমার চোখে কখনো উদয় হবে না। আপনি-আমি তো নবীজির আদেশে সুলতানের অকাতরে দান-দক্ষিণা দেখে বর্তে গেছি। কিন্তু প্রশ্নটা বেশ পোক্ত। ধর্মীয় আবেগকে পাশ কাটিয়ে আপনি যদি ইসলাম ধর্মের নিরেট সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ান, তাহলে প্রশ্নটা এতদিন কেন করা হলো না, সেটা ভেবেই অবাক হবেন। সত্যিই তো, সুলতানদের ব্যয় করা এই রাশি রাশি দিনার-দিরহামের মালিক কে? কে এর হকদার? কোন তহবিল থেকে তিনি দান করছেন অঢেল দিনার-আশরফি? এমন একটি বেরসিক প্রশ্ন আমাদের মগজে উদয় হওয়া উচিত ছিল না?
এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার মাঝ দিয়েই আমরা খেলাফত শাসনব্যবস্থা, খলিফা, সুলতান, ইসলামি রাষ্ট্র এবং অন্যান্য জরুরি রাষ্ট্রীয় বিষয়ে হালকা-পাতলা কথা বলব। তো, আমাদের প্রথম কথা হলো, মুসলিম ইতিহাসে খেলাফতব্যবস্থা বলতে আমরা কী বুঝি?
দুই
দেখুন, রাজতান্ত্রিক যে খেলাফতব্যবস্থা—উমাইয়া, আব্বাসী, ফাতেমী, সেলজুকী বা উসমানী খেলাফত—এসব খলিফারা খেলাফতকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবেই গ্রহণ করেছেন। এটা খোলা কথা। উমাইয়া খেলাফত থেকেই পরিবারতান্ত্রিক খেলাফতের উদ্ভব। খলিফা মুআবিয়া (রা.) মারা গেলেন, তিনি তার ছেলে ইয়াজিদকে খলিফা মনোনীত করে গেলেন। ইয়াজিদের মৃত্যুর পর তার আত্মীয় মারওয়ান, মারওয়ানের পর আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান…। এভাবে রাজতান্ত্রিক উমাইয়া খেলাফত প্রতিষ্ঠা হলো।
প্রায় একশ বছর উমাইয়া খেলাফতের শাসনের পর খেলাফতের শাসনভার দখল করে নবীজির চাচা আব্বাস ইবনে মুত্তালিবের (রা.) বংশধরগণ। বাগদাদকে রাজধানী করে তারা প্রতিষ্ঠা করেন আব্বাসী খেলাফত।
আব্বাসী খেলাফতের ক্ষমতা দখলের ঘটনা এত বেশি ঘটনাবহুল ও রক্তাক্ত, সে কথা বলতে গেলে বিরাট ইতিহাস বলতে হবে। সংক্ষেপে বলি। নবীজির চাচা আব্বাস ইবনে মুত্তালিবের অধঃস্তন বংশধর আবুল আব্বাস আল-সাফফা ছিলেন আব্বাসী আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তি। তবে তিনি যখন উমাইয়াদের বিরুদ্ধে ইরাক ও পারস্যের লোকদের ক্ষেপিয়ে তোলেন, তখন তার প্রধান অস্ত্র ছিল আহলে বাইত। অর্থ্যাৎ নবীজির বংশধরগণকে অছিলা বানিয়ে তিনি আন্দোলনকে বেগবান করেন। ওই সময় নবীবংশের অধঃস্তন পুরুষ নেতা ছিলেন ইমাম জাফর আল-সাদিক। আল-সাফফা তাকে দেখিয়ে মানুষকে উস্কে দিতে থাকেন, নবীপরিবারের প্রতি উমাইয়ারা যে নিপীড়ন করেছে, তার বদলা নিতে হবে। নবীবংশের হাতে খেলাফতের দায়িত্ব তুলে দিতে হবে।
তার কথায় ইরাক ও গ্রেট পারস্যের লোকজন বিদ্রোহী হয়ে উঠে। বিশেষত পারস্যের লোকজন তো আগে থেকেই নবীপরিবারের প্রতি অধিক অনুভূতিশীল ছিল। ফলে ৭৪৩ থেকে শুরু হওয়া এই আব্বাসী আন্দোলন ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে সফলতা লাভ করে এবং আবুল আব্বাস আল-সাফফা উমাইয়াদের নিধন করে খেলাফতের মসনদে আরোহন করেন।
তবে মজার ব্যাপার হলো, যে নবীপরিবারকে সাইনবোর্ড বানিয়ে তিনি ক্ষমতা দখল করেন, সেই নবীপরিবারের কাউকে তিনি ক্ষমতার আশপাশেও ঘেঁষতে দেননি। উপরন্তু অনেককে জেলে পুরেছেন, অনেককে হত্যাও করেছেন। মূলত আব্বাসী খেলাফতকে সুসংহত করার জন্য তিনি এত বেশি রক্তপাত ঘটান যে, তার উপাধি হয়ে যায় আল-সাফফা, যার অর্থ রক্তপিপাসু বা কসাই।
তিন
যাক পরবর্তী আব্বাসী খলিফা আল-মনসুর, হারুনুর রশিদ, মামুন, মুনতাসির, মুতাসিম—এরা পরিবার তথা রাজতান্ত্রিক খেলাফতব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করেন এবং পরিবারতান্ত্রিক শাসনের ফলে খেলাফতব্যবস্থাকে তাদের নিজেদের সম্পদ মনে করতে থাকেন। কোনো পরিবার শত বছর ধরে পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনার ফলে যেভাবে সে ব্যবসাকে নিজেদের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে নিজেরা একচ্ছত্র মালিকানা বলে ভাবে, উমাইয়া-আব্বাসীরা খেলাফতকেও তাদের ওয়ারিসি সম্পদ বলে ধারণা করতে শুরু করে।
সে হিসেবে খেলাফতের সকল লব্ধ সম্পদ তারা নিজেদের ওয়ারিসি ও ব্যক্তিগত সম্পদ মনে করতেন। জনগণের ট্যাক্স, রাজ্যজয়ের যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, রাষ্ট্রীয় আয়—সকল অর্থ ও সম্পদ খলিফার ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে জমা হতো। খলিফাও নিজের মতো খরচ করতেন এসব সম্পদ। এ টাকা দিয়ে বিলাসিতা হতো, বিরাট বিরাট প্রাসাদ, নান্দনিক ডেকোরেশন, খলিফা ও বিরাটাকারের রাজপরিবারের বিলাসী ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা হতো। আবার রাষ্ট্রীয় অর্থ-সম্পদ দিয়েই দান-খয়রাত, রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন, মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণ, মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববির রক্ষণাবেক্ষণও হতো। মোটকথা, খেলাফতের রাষ্ট্রীয় যে কোষাগার ছিল, সেটি খলিফার ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হতো এবং এর আয়-ব্যয় পুরোটাই ছিল খলিফার নিয়ন্ত্রণাধীন।
এই একই ধারা চলেছে পরবর্তী সকল খেলাফতব্যবস্থার অধীনে। ফাতেমী, সেলজুকী, উসমানী খেলাফতের সকল খলিফাই ইসলামি রাষ্ট্রকে তাদের বাপ-দাদার রেখে যাওয়া পৈত্রিক সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। অবশ্য এসব খেলাফতব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ব্যক্তিগত রাজ্যজয়ের মাধ্যমে, ইসলামি শাসনব্যবস্থা বা পরিপূর্ণ খেলাফতি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সদিচ্ছা কোনো খলিফারই ছিল না।
সুতরাং স্বপ্নে নবীজি কর্তৃক আদিষ্ট হয়ে উসমানী খেলাফতের একজন তুর্কি ‘খলিফা’ রাষ্ট্রের অর্থই ব্যয় করবেন, এ কথা হলফ করে বলা যায়। কেননা এ সম্পদ তো তিনি পৈত্রিক সূত্রে আগেই প্রাপ্ত হয়েছেন। যে সম্পদ ও সম্পদ ব্যয়ের একচ্ছত্র মালিকানা তাদের হস্তগত, সেখানে এসব সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন করাই তো বৃথা।
ফেসবুকের ওই পোস্টে এক ভ্রাতা যেমন কমেন্ট করেছেন—‘রাষ্ট্রই তো উনার ছিল, তাই না?’ কি নাবালক প্রশ্ন!
চার
এখন কথা হলো, রাষ্ট্র কারো বাপ-দাদার সম্পত্তি হতে পারে কি-না! আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা নিজের ইচ্ছামতো রাষ্ট্রীয় কোষাগার, রাষ্ট্রীয় অর্থ-সম্পদ তার ব্যক্তিগত কাজ, দান-দক্ষিণা, বিলাস-ব্যসনে ব্যয় করতে পারেন কি-না? ইসলাম এ ব্যাপারে কী বলে? ইসলামের মানদণ্ড কী?
এখানে ইসলামের মানদণ্ড বেশ পরিস্কার। কেননা আমাদের সামনে চার খলিফার উদাহরণীয় খেলাফতে রাশেদার শাসনব্যবস্থা রয়েছে এবং তাদের শাসনকেই ইসলামি শাসনের সর্বোৎকৃষ্ট রোল-মডেল ধরা হয়। তাদের ৩0 বছরের খেলাফতকালীন শাসনব্যবস্থা ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ও প্রকৃষ্ট উদাহরণ। আমরা খেলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওয়াহ হিসেবে খেলাফতে রাশেদার সময়কালকেই উদাহরণ পেশ করব।
আমরা যদি খোলাফায়ে রাশেদিনের শাসনের দিকে তাকাই, খলিফা উমরের (রা.) কথাই ধরি, তিনি নিজের জীবনধারণের জন্য যতটুকু অর্থের প্রয়োজন হতো ঠিক ততটুকুই কোষাগার থেকে ভাতা হিসেবে গ্রহণ করতেন। সেখান থেকে যদি কিছু বেঁচে যেত তবে সেটা কোষাগারে ফেরত দিতেন। আবু বকরের (রা.) কথাও আমরা একই রকম জানি। সুতরাং সে হিসেবে একজন খলিফা সর্বোচ্চ রাষ্ট্রের একজন প্রথম শ্রেণির অফিসারের সমান বেতন-ভাতা গ্রহণ করতে পারেন। এর বেশি গ্রহণ করার এখতিয়ার তার নেই। আর তিনি যদি দান-দক্ষিণা করতে চান তবে সেটা রাষ্ট্রীয় সমাজকল্যাণ ফান্ড, দুর্যোগ ফান্ড বা গুরাবা ফান্ডের মঞ্জুরি ক্রমে করতে পারবেন। কোষাগারের সকল সম্পত্তি যখন তখন যে কোনো কাজে ব্যবহারের ইচ্ছাধিকার তার নেই। তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার শুধু একজন কর্মকর্তা মাত্র, রাষ্ট্রের মালিক নন।
একবার খলিফা উমরকে জিজ্ঞেস করা হলো, সরকারি কোষাগার থেকে আপনি কতটুকু ভাতা গ্রহণ করেন? তিনি উত্তরে বললেন, ‘শীত ও গ্রীষ্মের জন্য দু’খানা কাপড়, হজ ও উমরার জন্য একটি বাহন, মধ্যবিত্ত পরিবারের সমান খাদ্য। আমি সাধারণ মানুষের মতোই একজন ব্যক্তি। তারা যা পাবে, আমিও তাই পাব।’ (আসহাবে রাসুলের জীবনকথা, মুহাম্মাদ আবদুল মা’বুদ রচিত)
উমাইয়া খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজের (রহ.) উদাহরণও টানা যেতে পারে। যদিও তিনি উমাইয়া খলিফা ছিলেন এবং রাজতান্ত্রিক পদ্ধতিতে খেলাফতের মসনদে সমাসীন হয়েছিলেন, কিন্তু ব্যক্তিগত সচ্চরিত্র ও রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থাকে তিনি চার খলিফার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এমনভাবে সাজিয়েছিলেন, মানুষ তাকে ইসলামের পঞ্চম খলিফা বলে অভিহিত করে থাকে। তার ইনসাফপূর্ণ শাসনের জন্য তাকে বলা হয় দ্বিতীয় উমর।
এক ঈদের আগে সন্তানদের জামা-জুতো কেনার জন্য খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজের হাতে টাকা ছিল না। তিনি রাষ্ট্রের কোষাধ্যক্ষের কাছে গিয়ে বললেন, আমার আগামী মাসের বেতন-ভাতাটা এ মাসে অগ্রিম দিয়ে দাও। ঈদের সময় হাত খুব টানাটানি চলছে। সামনের মাসের বেতন থেকে এই টাকাটা কেটে নিও।
কোষাগার অফিসার তাকে সাফ বলে দিলেন, আগামী মাসে আপনি যে বেঁচে থাকবেন, তার তো কোনো গ্যারান্টি নেই। যদি আপনি আগামী মাসে সার্ভিস না দিতে পারেন তাহলে তো এ টাকা অগ্রিম নেওয়ার অধিকার আপনার নেই।
অফিসারের কথা শুনে উমর ইবনে আবদুল আজিজ বিরস মুখে কোষাগার থেকে চলে আসেন।
উমর ইবনে আবদুল আজিজ খলিফা হওয়ার পর উত্তরাধিকার সূত্রে যেসব অবৈধ সম্পত্তি লাভ করেছিলেন, তার সবকিছু তিনি খেলাফতের কোষাগারে ফেরত দেন। এমনকি নিজের স্ত্রী ফাতেমা বিনতে আবদুল মালিকের গহনা-অলংকারও বায়তুল মালে ফেরত পাঠান। বার্ষিক ৪০ হাজার দিনারের সম্পত্তির মধ্যে মাত্র ৪০০ দিনার বার্ষিক ভাতা নিজের জন্য গ্রহণ করে বাকি সম্পদ দান করে দেন। উল্লেখ্য, তিনি কেবল ওই ৪০০ দিনারেরই বৈধ মালিক ছিলেন। (উমর ইবনে আবদুল আজিজ, আবদুল্লাহ আল মাসূম রচিত)
পাঁচ
খলিফা বায়তুল মাল থেকে অবশ্যই অর্থ নিতে পারবেন। সেটা যাকে ইচ্ছা দান করতে পারবেন, যখন ইচ্ছা দান করতে পারবেন। তবে বায়তুল মালের যে সমাজকল্যাণ ফান্ড রয়েছে, সেখান থেকে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ দান করতে পারবেন। পুরো বায়তুল মালের মালিক তো তিনি নন। বায়তুল মালের মালিক জনগণ। এগুলো জনগণের ট্যাক্স, জাকাত, উশর, গনিমত ইত্যাদি থেকে আহরিত অর্থ। এর মাধ্যমে পুরো রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। এখানকার টাকা প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে আলাদা আলাদা চাহিদা অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। সেই বণ্টন থেকে একটা অংশ আসে সমাজকল্যাণ ফান্ডে। আবার সেই সমাজকল্যাণ ফান্ডও পুরোটা খলিফার আয়ত্তাধীন নয়। তিনি শুধু তার জন্য নির্ধারিত অংশ নিতে পারবেন এবং সেটা যাকে ইচ্ছা দান করতে পারবেন। নগর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অর্থ নিয়ে তিনি তো অকাতরে দান করে দিতে পারেন না। কেননা, নগর থেকে যে ট্যাক্স উত্তোলন করা হয়, এটা নগরের উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অস্ত্র কেনা বাদ দিয়ে তিনি সেই অর্থ দিয়ে আলিশান মসজিদ নির্মাণ করতে পারেন না। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা দুর্বল করে মসজিদের ঝারবাতি গুরুত্বপূর্ণ নয়। … (অসমাপ্ত)
(লেখার অংশটুকু নেয়া হয়েছে আমার রচিত ‘আবার তোরা দরবেশ হ’ বই থেকে। বইটি কিনতে চাইলে কমেন্ট লিংক দেয়া হলো।)