আমাদের হাতের স্মার্টফোনের ভেতর যদি ‘সামান্য’ পানি ঢুকে কোনো একটি সার্কিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন আমাদের ফোনগুলো নষ্ট হয়ে যায়। সেগুলো আর ঠিকঠাক মতো কাজ করে না।
তাহলে…
আমরা কীভাবে আশা করি যে, বছরের পর বছর ধরে আমাদের হারাম উপার্জন দিয়ে লালিত পালিত সন্তান নম্র ভদ্র সভ্য হবে? কীভাবে আশা করি যে তারা অমানুষ না হয়ে মানুষের মতো মানুষ হবে?
আমরা ছোট/বড়/বিশাল নানা হারাম উপার্জন দিয়ে আমাদের পরিবারের ভরণ পোষণ করি। অন্যের হক, সাধারণ জনগণের হক, সরকারি বরাদ্দ তছরুপ করে সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করি। কিন্তু কখনোই ভাবি না, এই প্রতিটি টাকার হকদার আরেকজন। আরেকজনের হকের টাকা দিয়ে আমি আমার সন্তানকে সুসভ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। কী অলীক প্রচেষ্টা আমাদের!
আপনারা যারা সন্তান আছেন, আপনার বাবার উপার্জন নিয়ে প্রশ্ন করুন। তাকে ক্লারিফাই করতে বলুন যে তার সকল ইনকাম হালাল। সেখানে অন্যের হক মেরে দেওয়া কোনো অর্থ কিংবা দুই নম্বরি কোনো হারাম ইনকাম নেই।
হারাম ইনকামের মাধ্যমে আপনাকে দামি বাইক/গাড়ি কিনে দিয়ে বা দামি ইউনিভার্সিটিতে পড়িয়ে আপনার বাবা আপনার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল তো করছেই না, বরং আপনার জীবন চিরদিনের জন্য অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সুতরাং আপনার বাবার ইনকাম নিয়ে প্রশ্ন তুলুন…!


Leave a Reply

Your email address will not be published.