গত ১০-১৫ বছর ‘সত্যকথা’ ‍গিলা ফেলতে ফেলতে অবস্থা এমন দাঁড়াইছে, এখন বহু চেষ্টা কইরাও আর সত্য কথা লেখতে পারতেছি না। খুঁইজাই পাইতেছি না যে কোন সত্য কথাটা বলব। মনে হইতেছে সবই সত্য। আবার আরেকবার মনে হইতেছে সবই তো মিথ্যা। আবার আচমকাই মনে উদ্রেক ঘটতেছে, কী হবে এইসব বইলা?
শেখ হাসিনা আমাদের মানসিক মেরুদণ্ড ভাইঙ্গা দিছে। মানুষ হইয়া জন্মাইছিলাম বটে, কিন্তু আমাদের ভিতরে মনুষ্যত্বের মানসিকতা আর জীবিত নাই। এমনভাবে মারা গেছে, আমরা বুঝতেই পারতেছি না যে মনুষ্যত্ব কীভাবে কাজ করে! স্বৈরাচার হাসিনা আমাদেরকে এইরকম ভাবে মাইরা গেছে।
সত্যকথা বলার জায়গায় আমরা মুখোশ নিছি নিরপেক্ষতার, যোগ্যতা দেখানোর জায়গায় আমরা চুজ করছি চাটুকারিতাকে, দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসার জায়গায় আমরা স্থান দিছি নিজের উন্নতিকে, ধর্মের চেতনা ও স্বাধীনতার জায়গায় আমরা অবস্থান নিছি ‘হিকমতের’। আমরা বছরে বছরে এইরকম হয়া গেছিলাম। আমরা ভুইলাই গেছিলাম যে এই মানবজন্ম কত মহান, কত মহৎ তার উদ্দেশ্য।
কাজেই আজ যখন আমরা বাকস্বাধীনতা পাইলাম, তখন আমাদের কথারা ফুরায়া আসতেছে। আমরা কথা কইতেছি খুব ফাউল বিষয় নিয়া। কারণ আমরা শারীরিকভাবে স্বাধীন তো হইছি, আমাদের মগজ ও দেল এখনও স্বাধীন হইতে পারে নাই। সময় নিবে। টাইম লাগবে।
ততদিন পর্যন্ত হাল ছাইড়েন না, চালায়া যান…


Leave a Reply

Your email address will not be published.