সমাজের ইন্টেলেকচুয়াল ব্যক্তিদের অ্যাক্টিভলি রাজনীতিতে যোগদান করা উচিত। বিশেষত ইন্টেলেকচুয়াল ও সচেতন তরুণ যারা রয়েছেন তাদের উচিত মোটামুটি সমমত ও সমচিন্তার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জুড়ে যাওয়া। মাঠের রাজনীতি, ভোটের রাজনীতি, মিডিয়ার রাজনীতি—সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তরুণ প্রজন্মের শরিক হওয়া দেশ ও দশের জন্য বেহদ জরুরি।
বিগত দিনগুলোতে দেখেছি, অযুত সম্ভাবনা ও উন্নয়ন শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। হোক সেটা রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন, ধর্মীয় সম্ভাবনা, শিক্ষা, রেমিট্যান্স, পোশাকশিল্প, আর্টকালচার, এমনকি চিন্তাও ছিল রাজনৈতিকভাবে বায়াজ্ড। কেননা সমাজের সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণ ছিল রাজনীতির হাতে। ফলে রাজনীতির বিষাক্ত কলুষে নষ্ট হয়েছে অধিকাংশ সম্ভাবনা।
এ কারণেই রাজনীতিতে সৎ ইন্টেলেকচুয়াল তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। পৃথিবীতে অসৎ বলতে কোনো জিনিসের অস্তিত্ব নেই। যখন সৎ ও সততা বিলোপ হতে থাকে, কমতে থাকে তার পরিমাণ তখন সেখানে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয় সেটাই অসৎ ও অসততা। সত্যের শূন্যতার নামই অসৎ। সুতরাং এই শূন্যতা পূরণ করতে হবে যে কোনোভাবে। আপনি আমি যারা নিজেদেরকে বিপ্লবের সন্তান বলে অভিহিত করি, আমাদেরই দায়িত্ব এই শূন্যতা পূরণ করা। আমরা যতদিন রাজনীতির এই শূন্যতা পূরণ করতে না পারব ততদিন পর্যন্ত রাজনীতির কলুষতা থেকে মুক্তি নেই।
আল্লাহ কত চমৎকার বলেছেন:
‘সত্য এসে গেছে আর মিথ্যা বিলোপ হয়েছে, মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই।’ সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত ৮১