লাইফ ইজ বিউটিফুল

দুজন বন্ধুর কথা বলি। দুজনই আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন। উচ্চশিক্ষিত। সম্প্রতি তারা বড়লোক হওয়ার শর্টকাট রাস্তায় নেমেছেন। একজন খুঁজছেন ‘তক্ষক’ নামের আজিব এক সরীসৃপ প্রাণী। দেখতে গিরগিটির মতো এ প্রাণির দাম নাকি শত কোটি টাকা! শুনে আমি তাজ্জব!! এ প্রাণির ভেতরে নাকি ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক কী এক দুর্ধর্ষ ক্ষমতা আছে, ড্রোন-ফাইটার প্লেন Read more…

‘মাইয়াডারে মাইরা শহিদের খাতায় নাম লেখাই’

ধরেন— দুপুর থেকে রাগ করে আছেন। মনটা তাতিয়ে আছে— আজকে দফারফা হবে একটা। মনে মনে নানা টাইপের রাগালো কথাবার্তা সাজাচ্ছেন। সেসব মনে এলেই রাস্তার ভীড়ের মধ্যেও আপনার চেহারা গম্ভীর হয়ে উঠছে। নাকের বাঁশি তিরতির করে কেঁপে উঠছে— বাসায় গিয়ে নিই একবার! বেশ ভালোকথা! সন্ধ্যার পর আপনি বাসায় এলেন। যার ওপর Read more…

সংসারে সারপ্রাইজ : একটুখানি অন্যপরশ

বাড়ি থেকে শশুরবাড়ি অটোতে গেলে পনেরো-বিশ মিনিট লাগে। মাগরিবের নামাজের আগে রওনা দিলাম। আজান হলো পথেই। শশুরবাড়ির কাছাকাছি এক মসজিদে এসে নামাজ শেষ করে হেঁটে যাচ্ছিলাম। এমন সময় তাঁর ফোন— কই আপনে? : এই তো আসতেছি। : কদ্দুর আসছেন? : কাছাকাছিই, বেশি সময় লাগবে না।  : আহ হা, বলেন না Read more…

নকশী কাঁথার আঘাতগুলো রয়ে গেছে

ছোটবেলায় আমি ‘নকশীকাঁথার মাঠ’ কাব্যনাট্যটি পড়েছিলাম। আমার ছোট মনে কষ্ট এমন হু হু করে উঠেছিলো, মূলত আমি অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। কষ্ট পেয়েছিলাম সাজুর জন্য। একটা গ্রাম্য লড়াইয়ের পর সাজুর বর (দুজনের প্রেমের বিয়ে, ক’দিন আগেই হয়েছে) রূপাই পুলিশের মৃত্যুর পরোয়ানার থেকে বাঁচতে গ্রাম থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। সেই যে যায়, Read more…

আমার কলমকাল : যে যৌবন লেখকের

আমার মনে আছে, আমি তখন ধামরাই ইসলামপুর মাদরাসায় পড়ি। ঢাকায় একটা সাহিত্য-পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ হয়েছিল। ২০০১ সালের দিকের ঘটনা। ওই পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিভিন্নজন কবিতাপাঠ করছিলেন। যিনি উপস্থাপক ছিলেন তিনিও কোনো এক কবি। নাম মনে নেই। তিনি উপস্থাপনার মধ্যে মাঝে মাঝে বলছিলেন, ‘এখন কবিতা পাঠ করবেন শূন্য দশকের Read more…

আমার কান্না যদি বাজে, তোমার কানের দুলে

আমরা সবার সামনে প্রাণ খুলে হাসতে পারি, কিন্তু সবার সামনে মন খুলে কাঁদতে পারি না কেন? কান্না এলে আমরা চোখের জল লুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এদিকে ওদিক তাকিয়ে দেখি- কেউ দেখে ফেললো না তো! কান্না লুকাতে হাসির আশ্রয় নেই। কী অবিচারসুলভ কাজ! হাসি হলো কান্নার চরমতম শত্রু, দুজন দুই মেরুর Read more…

জীবনানন্দের হাঁস

বিকেলে দক্ষিণ বিলের পাশে পুকুর থেকে হাঁস আনতে গিয়েছিলাম। সেজো চাচার বাড়ির লাগোয়া পুকুর, আকারে খুব একটা বড় না। বর্ষা মৌসুমে ছোট ছেলেপিলে দাপাদাপি করে, ঘণ্টাখানেক ডুবিয়ে মায়ের হম্বি তম্বি শোনার আগে আর উঠে না। এখন পুকুরে টলটলে জল থাকলেও পুকুরভরা কলমি লতা ছেয়ে আছে। লতার ডগা ছাপিয়ে ফুটে আছে Read more…